থ্রি এসের রহস্য , ফুটবল দলের উন্নতি

নিউজফিড,ডেস্ক ::
আপনার রূপের রহস্য কী’

বিজ্ঞাপনের পরিচিত এই জিঙ্গেলের সঙ্গে মিল রেখে কেউ যদি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ জেমি ডেকে জিজ্ঞাসা করেন, কীভাবে বাংলাদেশ দলের রূপ বদলে দিচ্ছেন? কী উত্তর দেবেন ব্রিটিশ কোচ? হয়তো অনেক ব্যাখ্যা সামনে নিয়ে আসবেন। তবে নিশ্চিত সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেবেন ফিটনেসকে। যেটি তিনি অনেকবারই বলেছেন, ‘খেলোয়াড়েরা ফিটনেসে অনেক উন্নতি করেছে।’ জেমির এই কথার প্রতিবাদ করতে পারে, এমন লোক হয়তো এখন একজনও পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশের ফুটবলাররা দৌড়াতে পারেন না, খেলবেন কী? দেশের ফুটবলের আলোচনা হলেই কথাটি তাচ্ছিল্যের সুরে বলতে দেখা যায় অনেককে। বিরোধিতা করারও সুযোগ ছিল না। তবে বর্তমান দলটি এর প্রতিবাদ করলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। তারা এশিয়ান গেমসের পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপেও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ করে চলেছে। কাতার ও থাইল্যান্ডের মতো দলকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসের দ্বিতীয় রাউন্ডে নিয়ে গেছেন। নয় বছর পর সাফে বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়েছে আরেকটি সেমিফাইনালের খুব কাছে। এতেই বোঝা যায়, বাংলাদেশের আগের দলগুলোর তুলনায় তপু বর্মনরা ব্যতিক্রম।

এই ব্যতিক্রম দল হয়ে ওঠার রহস্যের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান ফিটনেসে উন্নতি, যার ওপর ভর করে এশিয়ান গেমসের পর সাফও মাতিয়েছে বাংলাদেশ। ফিটনেসে কতটা উন্নতি করেছে বাংলাদেশ, তা বুঝতে পারবেন কাল পাকিস্তান ম্যাচের মধ্যাহ্ন বিরতিতে জামাল ভুঁইয়াদের উদ্দেশে কোচের বার্তাটা শুনলে, ‘তোমরা তোমাদের গতিতে খেলে যাও। পাকিস্তান ক্লান্ত হয়ে পড়বেই।’ এতেই তো বোঝা যায় খেলোয়াড়দের শারীরিক সক্ষমতার ওপর কতটা আত্মবিশ্বাসী কোচ।

ফুটবলে ‘ফোর এস’ বলে একটা মৌলিক বিষয় আছে—স্কিল (দক্ষতা), স্পিড (গতি), স্ট্রেন্থ (শক্তি) ও স্টামিনা (দম)। যে খেলোয়াড় বা দল এই চারটি বিষয়ে যত ভালো, দল হিসেবে তারা ততটাই ভালো। চারটি এসের মধ্যে স্কিল নিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলারদের বিরুদ্ধে তেমন অভিযোগ শোনা যায় না। কিন্তু পরের তিনটি ‘এস’ নিয়েই বড় প্রশ্ন। জেমি ডের অধীনে বর্তমান দলটি শেষের ‘থ্রি এস’ অর্থাৎ স্পিড, স্ট্রেন্থ ও স্টামিনায় উন্নতি করেছে বেশ। সঙ্গে স্কিলের উন্নতি তো এসেছেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here